ইউরো সংবাদ: ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট ভিসায় কড়াকড়ি আরোপ করায় অর্থনৈতিক ভাবে ইউকে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বলে দাবি করেছে ইউকে ভিত্তিক সামাজিক গবেষণা ধর্মী প্রতিষ্ঠান ইনিস্টিটিউট অফ পাবলিক পলিসি রিচার্স (আইপিপিআর)। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, ইউকে অর্থনীতিতে প্রতিবছর ১৩ বিলিয়ন পাউন্ড অবদান রাখে বিদেশী শিক্ষার্থীরা। ভিসা প্রকিয়া জটিল করায় এ বছর প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থী কমেছে।
আইপিপিআর জানায়, ২০১০ সালে ২ লাখ ৪৫ হাজার বিদেশী শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ করে। তিন বছর পর এ বছর মাত্র ১ লাখ ৭৬ হাজার শিক্ষার্থী ইউকে পড়াশোনা করতে আসে। ইমিগ্রেশন আইনে কঠোরতার কারণে তাদের সংখ্যা কমছে। প্রতি বছর বিদেশী শিক্ষার্থীদের থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমান অর্থ আয় করে ইউকে সরকার। এ অর্থ ইঞ্জিনিয়ারিং এবং শিক্ষা খাতে উন্নয়নে ব্যায় করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ল্যাবরেটরী উন্নয়নে বিদেশী শিক্ষার্থীদের অবদানই বেশী। ইউকের ছোট বড় শহরে প্রায় ৭০ হাজার বিদেশী শিক্ষার্থী কর্মক্ষেত্রের সাথে জড়িত। গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রি গঠনে ভূমিকা রাখছে তারা। কিন্তু সাধারন ভিসার পাশাপাসি স্টুডেন্ট ভিসায় কঠোরতা আনায় এ সুযোগ হারাতে বসেছে ইউকে।
এদিকে অস্ট্রেলিয়া, ইউএস ও ফ্রান্সের মত প্রতিযোগী দেশ সমুহ এ সুুযোগ লুফে নিতে চাইছে। বিদেশী শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য বিভিন্ন প্যাকেজ ভিসা অফার করছে ওই দেশগুলো। এতে বিদেশী শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে থাকা ইউকে হারাতে পারে তার অবস্থান।
ইউকে সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, বিদেশী শিক্ষার্থীরা অবৈধ পথে ইউকে আসার চেষ্টা করায় ভিসা আইনে কঠোরতা আনা হয়েছে। কিন্তু ইউকে বর্ডার এজেন্সির দেওয়া তথ্যানুসারে মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষার্থী অবৈধ ইমিগ্রেশনের সাথে জড়িত।






















