ইউরো সংবাদ: বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম খুচরা পোশাক বিক্রেতা টেসকো বাংলাদেশের একটি কারখানায় পোশাকের জন্য ফরমায়েশ দেওয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই কারখানার শ্রমিকদের অনিরাপদ ভবনে ও পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য করার জবাব হিসেবে টেসকো এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
সাভারের রানা প্লাজা ধসে এক হাজার ১২৯ জন শ্রমিক নিহত হওয়ার পর যুক্তরাজ্যভিত্তিক সুপার মার্কেট চেইন টেসকো বাংলাদেশের কয়েকটি কারখানা পরিদর্শন করে। এর পরপরই টেসকো আজ শনিবার তাদের সিদ্ধান্ত জানায়।
টেসকোর তার বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা লিবার্টি ফ্যাশনস থেকে পোশাক নিতাম। ওই কারখানায় এক কাঠামোগত পরিদর্শন চালানোর পর আমরা দেখেছি, সেটির এক ভবনের ভয়াবহ নিরাপত্তা-সমস্যা আছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘লব্ধ তথ্য আমরা তাত্ক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কারখানার মালিককে জানিয়েছি এবং ওই কারখানায় টেসকোর পোশাক তৈরি না করে বিকল্প খোঁজার চেষ্টা করেছি। আমরা ভীষণ হতাশ হয়েছি…ওই ভবনটি নিয়ে আমরা এতটাই উদ্বিগ্ন যে, শেষাবধি আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওই কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে পোশাকের জন্য নতুন করে আর ফরমায়েশ দেব না।’
টেসকো বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সমিতি (বিজিএমইএ) ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে তার পরিদর্শনের ফল ও মতামত জানিয়েছে।
টেসকো গত এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের মোট ১৫টি কারখানায় ফরমায়েশ দেওয়া বন্ধ করল। এসব কারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশের নিশ্চয়তা ও শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার না থাকায় টোসকো এ সিদ্ধান্ত নেয়।






















