Home 1stpage বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মেয়েরা

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মেয়েরা

76
0

টি-টোয়েন্টি-বিশ্বকাপ-বাছাইয়ের-গ্রুপ-চ্যাম্পিয়ন-বাংলাদেশের-মেয়েরা_2স্পোর্টস: গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচ। প্রথমটিতে ৭৩ রানে জয়। বাকি দুটিতে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয়। দাপট দেখিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ পায় জিম্বাবুয়েকে। বলতে গেলে তারা খুব চেনা প্রতিপক্ষ। গেল মাসে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে নারী ক্রিকেট দলকে হোয়াইটওয়াশ করেছে টাইগ্রেসরা। সেমিফাইনালে তাদেরকে পেয়ে খানিকটা খুশিই হয় বাংলাদেশের মেয়েরা।

কিন্তু বৃহস্পতিবার প্রথম সেমিফাইনালে ব্যাট করে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি জাহানারা আলমরা।জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান সংগ্রহ করে। কিন্তু বল হাতে দারুণভাবে চেপে ধরে প্রতিপক্ষকে। মাত্র ৫৮ রানে জিম্বাবুয়ের ইনিংসকে গুড়িয়ে দিয়ে ৩১ রানের জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। পাশাপাশি নিশ্চিত করেছে ২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিটও। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেল বাংলাদেশের মেয়েরা।

৯০ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে জিম্বাবুয়ে নারী ক্রিকেট দল। নিয়মিত বিরতিতে তারা উইকেট হারাতে থাকে। ৪৪ রানেই মধ্যেই তারা হারিয়ে বসে আট-আটটি উইকেট। শেষ পর্যন্ত ১৯.১ ওভারে ৫৮ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ের নারীরা। ৪টি উইকেট নিয়েছেন রুমানা আহমেদ। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন শায়লা শারমিন ও ফাহিমা খাতুন। অন্যটি দুটি রান আউটে কাটা পড়েছে।

এর আগে ব্যাংককের তারথাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস হেরে ব্যাট করে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে বাংলাদেশের মেয়েরা। ১০ রান তুলতেই তারা হারিয়ে বসে প্রথম সারির ৩ জন ব্যাটারকে। আয়শা রহমান ৫, শায়লা শারমিন ০ ও রুমানা আহমেদ ০ রানে সাজঘরে ফেরেন।

এরপর শারমিন আক্তার ও ফারজানা হক মিলে দলীয় স্কোরকে ৬১ রান পর্যন্ত টেনে নেন। ১৫.১ ওভারের মাথায় দলীয় ৬১ রানে আউট হয়ে যান শারমিন আক্তার (২২)। দলীয় ৮৬ রানে ফারাজানা হক ব্যক্তিগত ৪৩ রানে আউট হলে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। রিতু মনি ৯ ও জাহানারা আলম ২ রানে অপরাজিত থাকেন।

বল হাতে জিম্বাবুয়ের জোসেফিনে এমকোমো ২টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মাজভিশায়া। বাংলাদেশের অন্য দুটি উইকেট রান আউটে কাটা পড়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here