ইউরো সংবাদ: হিংসার পথ পরিত্যাগ করে ইউক্রেনের লোকদের উচিত্ আলোচনার পথ নেওয়া. এই কথা বলেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রতিনিধি মার্টিন নেসিরকি, তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধে মার্কিন পররাষ্ট্র সচিবের সহকারী ভিক্টোরিয়া ন্যুল্যান্ডের কিয়েভ সফরের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে এই কথা বলেছেন. তিনি বলেছেন যে, দেশের রাজনৈতিক সঙ্কটের নিরসনে প্রয়োজন রাজনৈতিক দল ও সমাজের মধ্যে আলোচনা, বহু দেশই এখন উদ্বেগের সঙ্গে ইউক্রেনের পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে রয়েছে, যেখানে রাস্তায় ও নানা জায়গায় প্রশাসন বিরোধী আন্দোলন করা হচ্ছে.
রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব বান কী মুনও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ও সেই দেশের রাষ্ট্রপতি ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের সঙ্গে কথা বলেছেন. তিনি বলেছেন সংযত ভাবে আলোচনার মাধ্যমেই সকল পক্ষের সমস্যা সমাধান করার দরকার রয়েছে. কিন্তু সিদ্ধান্ত যাই হোক, তা হবে ইউক্রেনের জনগনের.
নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত এক সম্পাদকীয় প্রবন্ধে ১১ই ডিসেম্বরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইউক্রেনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কঠিন আর দেশে দুটি গোষ্ঠী তৈরী হয়েছে, একদল চায় রাশিয়ার সাথে জোট বাঁধতে ও আরও একদল রয়েছে ইউরোপীয় সঙ্ঘের পক্ষে. এই পত্রিকায় মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের থেকে কিয়েভের কাছ থেকে ঋণ শোধ করার জন্য এক হাজার পাঁচশো কোটি ডলার ফেরত চাওয়া হয়েছে. সেখানে বলা হয়েছে এবারে ইউক্রেনের হয় রাশিয়া অথবা ইউরোপীয় সঙ্ঘের কাছ থেকে সাহায্য চাইতেই হবে.






















