Home ইউরোবিডি কমিউনিটি সংবাদ রাশিয়ায় ঈদুল আযহা উদযাপিত

রাশিয়ায় ঈদুল আযহা উদযাপিত

66
0

 ইউরোবিডি কমিউনিটি সংবাদ: রাশিয়ায় মঙ্গলবার পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়েছে।  রুশ ভাষায় এ উৎসবকে বলা হয় ‘কুরবান বাইরাম’।

ঈদ উপলক্ষে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার মুসলমানদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত প্রদেশগুলোতে ঈদ উপলক্ষে দুইদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রাজধানী মস্কোতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদুল আযহা উদযাপন করেছেন।

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় মস্কোর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক হাজার মুসল্লি এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল রাশিয়া ওয়ান কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে সরাসরি ঈদের জামাতের চিত্র সম্প্রচার করে।

মসজিদে স্থান সংকুলান না হওয়ায় নগর কর্তৃপক্ষ মস্কোর তিনটি পার্কে ঈদের জামাতের আয়োজন করে।
প্রতিবারের মতো এবারও মস্কোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় ভেদেনখার কিরগিজ প্যাভিলিয়নে। সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের নামাজ পড়তে মস্কোর বিভিন্ন স্থান থেকে বাংলাদেশিরা ছুটে আসেন এখানে। বাংলাদেশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা-কর্মীদের এখানে ঈদের নামাজ আদায় করতে দেখা যায়।

এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের একাংশ বাংলাদেশ দূতাবাসে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সকাল ১০টায় এখানে জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দূতাবাসের ওয়ারেন্ট অফিসার রফিকুল ইসলাম।

রাষ্ট্রদূত এস এম সাইফুল হক দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসীদের সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়েন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনার পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বাংলাদেশিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন।

পরিবার নিয়ে বাস করা প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকই কোরবানির আয়োজন করেন। মস্কো নগরীর অভ্যন্তরে কোরবানি দেওয়া নিষিদ্ধ থাকায় নগরীর বাইরের কসাইখানায় গিয়ে পশু কোরবানি দেন প্রবাসীরা। এ জন্যে আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট কসাইখানায়  ‘বুকিং’ দিতে হয়। ইউরোপের অন্যন্য দেশেও এভাবে বুকিং প্রথায় কোরবানি চালু রয়েছে।

প্রসঙ্গত,রাশিয়ায় প্রায় দুই কোটি মুসলমান বাস করেন। তাদের মধ্যে প্রায় ২০ লাখ মুসলমান বাস করেন শুধু মস্কোতেই। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হয়ে যাওয়া প্রজাতন্ত্রগুলোর অনেক মুসলমান রাশিয়ায় অভিবাসী হওয়ায় দেশটির মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে লক্ষনীয় ভূমিকা রেখেছে। রাশিয়ার সব মসজিদে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here