ইউরো সংবাদ: ইউক্রেনের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ওলেক্সান্ডার তুরচিনভ বলেছেন, ক্রিমিয়া থেকে তার দেশের সেনাদের সরে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ক্রিমিয়ায় মোতায়েন ইউক্রেনের সেনা ও তাদের পরিবারবর্গের জীবনের প্রতি রাশিয়া হুমকি সৃষ্টির পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ফিউদোসিয়ার নৌ ঘাঁটিসহ ক্রিমিয়া উপদ্বীপের বেশিরভাগ ঘাঁটি এরই মধ্যে রুশ বাহিনী দখল করে নিয়ে নিয়েছে। চলতি মাসের গোড়ার দিকে এক গণভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে রাশিয়ার সঙ্গে একীভূত হয়েছে ক্রিমিয়া। ইউক্রেনের পাশ্চাত্যপন্থী সরকার এবং পশ্চিমা দেশগুলো এ পদক্ষেপকে অবৈধ বলে দাবি করছে।
রুশ সেনারা ফিউদোসিয়ার নৌ ঘাঁটি দখল করে নেয়ার পরই ক্রিমিয়ার মোতায়েন ইউক্রেনের সেনাদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়া হয়। গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ নিয়ে তৃতীয় ঘাঁটি দখল করে রাশিয়া। এদিকে, এর আগে রুশ প্রতিরক্ষা দফতরের কর্মকর্তারা বলেন, ক্রিমিয়ার ১৮৯টি ইউক্রেনের সেনা ঘাঁটি ও স্থাপনায় রুশ পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।






















