Home 1stpage শহীদ মিনারে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা: খালেদা জিয়াকে বাধার অভিযোগ

শহীদ মিনারে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা: খালেদা জিয়াকে বাধার অভিযোগ

71
0

দেশের খবর: একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘৫২-এর ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। প্রায় একইসময়ে তারা দুজন ফুল দেয়ার পর শহীদ বেদিতে ফুল দেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।  রাত ১টার সময় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। পুলিশের বাধার কারণে তিনি প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল দিতে পারেননি বলে বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

 বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান এ সম্পর্কে  বলেন, খালেদা জিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাওয়ার সব প্রস্তুতি নিলেও তার বাসার সামনে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন থাকায় তিনি বেরুতে পারেননি। এরপর রাত ১২টা ১০ মিনিটে খালেদা গাড়ি নিয়ে গুলশানের বাড়ি থেকে বের হয়ে একই এলাকায় তার কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে রাত ১টার দিকে দলীয় নেতাদের নিয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

 এছাড়া, মহাজোট নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বিভিন্ন দেশের কুটনীতিকরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপরই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সহযোগী সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ছাত্র, যুব, শ্রমিক, কৃষক সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ একে একে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।

 ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মিছিলে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর নির্দেশে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান সালাম, রফিক, বরকত, শফিউরসহ নাম না জানা অনেকে। এর পর ১৯৫৬ সালে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয় তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।

 ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর এক ঘোষণায় ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পায়।  এরপর থেকে সারা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষীর লোকজন দিবসটি পালন করে।

ভাষা শহীদদের স্মরণে আজ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে। এছাড়া ভাষা আন্দোলনের ঐতিহ্য ও গৌরবের কথা স্মরণ করে জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here