
এদিকে দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ ‘খুবই কম’ ছিল মন্তব্য করে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে আবারও সংলাপ শুরুর আহ্বান জানিয়েছে ফ্রান্স। সদ্যসমাপ্ত নির্বাচন প্রসঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন। ঢাকাস্থ ফরাসি দূতাবাসের ওয়েবসাইটে গতকাল ওই প্রতিক্রিয়া সংবলিত বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফ্রান্স নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। একেবারে কম ভোটারের অংশগ্রহণে এখানে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তাকে সহিংসতার যথেষ্ট ছাপ ছিল। বিবৃতিতে সব রাজনৈতিক পক্ষকে শান্ত ও সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও কাঠামোর মধ্যে আবার সংলাপ শুরু করতে ফ্রান্সের উত্সাহ দেয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।
জার্মানির তাগিদ:
এদিকে দেশের স্বার্থে বাংলাদেশের সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্য নিরসনের আহ্বান জানিয়েছে জার্মান সরকার। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র এ আহ্বান জানান। ঢাকাস্থ জার্মান দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া সংবলিত বিবৃতিটি গতকাল গণমাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পারিপার্শ্বিক অবস্থা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জার্মানির ফেডারেল সরকার বিবেচনায় নিয়েছে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ওই নির্বাচনে ইচ্ছার ‘অতি সামান্য’ প্রতিফলন ঘটেছে। বিবৃতিতে দেশটির তরফে নির্বাচনকে ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতার নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন বিশেষত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ থেকে বিরত থাকতে সব রাজনৈতিক পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। নির্বাচনী প্রচারাভিযান ও ভোটের দিনে অনেকে হতাহত হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচন আয়োজনে সরকার এবং সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানায় জার্মান ফেডারেল সরকার।