
বড় একটি কাভার্ড ভ্যানের উপর ৮ ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরাসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এই মোবাইল কমান্ড সেন্টারটি। ঘূর্ণায়মান এই ক্যামেরা যানের চারপাশে কি হচ্ছে তা রেকর্ড করতে পারে। অপরাধ সংঘটিত হতে পারে এমন কোন স্পটে যানটি রাখলে ওই স্পটের অপরাধীদের গতিবিধি, কেউ অস্ত্র বা বিস্ফোরক বহন করছে কিনা কিংবা যে কোন ঘটনা সরাসরি প্রত্যক্ষ করতে পারবে পুলিশ। ঐ স্থানে কর্তব্যরত পুলিশের ভূমিকাও দেখতে পাবে সরাসরি মহানগর পুলিশের সদর দফতর। এই মোবাইল কমান্ড সেন্টারটি তিন মাস লেগেছে তৈরি করতে।
মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই অত্যাধুনিক মোবাইল কমান্ড সেন্টারটি নির্মিত হয়েছে। আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের পুলিশ বিভাগ অপরাধী শনাক্তে এই মোবাইল কমান্ড সেন্টার প্রযুক্তি বহু আগ থেকে ব্যবহার করে আসছে। মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, রানাপ্লাজার মত যে কোন ধরনের বড় দুর্ঘটনা ঘটর পর উক্ত মোবাইল কমান্ড সেন্টার ঘটনাস্থলের কাছে রেখে দিলে পুরা এলাকার কার্যক্রম সরাসরি মনিটর করা সম্ভব। কার্যক্রমের ত্রুটি-বিচ্যুতিসহ কোন বিষয় সরাসরি দায়িত্বশীল কর্মকর্তা প্রত্যক্ষ করতে এবং তাত্ক্ষণিক সকল ব্যবস্থা নিতে পারবে। এবারের থার্টি ফার্স্ট নাইটে গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বরে মোবাইল কমান্ড সেন্টারটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ।