
লি খ্য ছিয়াং বলেন, আগামী বছর চীন-ফ্রান্স কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী। এ বছরকে সামনে রেখে ফ্রান্সের সঙ্গে বিশ্বের বহুমেরুকরণ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে শান্তিপূর্ণ এবং গণতান্ত্রিক ধারা এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক সক্রিয় প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে চীন আগ্রহী।
লি খ্য ছিয়াং আরো বলেন, চীন ও ফ্রান্সের কৌশলগত অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্কের কার্যকর উন্নয়ন দু’দেশের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনে যাবতীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে ফ্রান্সের সঙ্গে যৌথ উদ্দ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী চীন, যাতে রাজনৈতিক আস্থা মজবুত করা, সার্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং মানবিক যোগাযোগ এগিয়ে নেয়া যায়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী আইরল্ট বলেন, ৫০ বছর আগে দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী ঘটনা। চীনের উন্নয়নে দু’দেশের পারস্পরিক সহযোগিতায় নানান সুযোগ সৃষ্টি করেছে। চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বিমান, পরমাণু শক্তি, চিকিত্সা, খাদ্য, গাড়ি ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে ফ্রান্স আগ্রহী।