
নাদাফ আইয়াল নামের এই ইসরাইলি বিশ্লেষক বলেছেন, সমঝোতার ওই সম্ভাবনা বানচালে ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও এ ব্যাপারে রিয়াদের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।
তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবে ফ্রান্সের বাণিজ্য স্বার্থ অত্যন্ত ব্যাপক, তাই এ ব্যাপারে রিয়াদের চাপ উপেক্ষা করা প্যারিসের পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাই সাম্প্রতিক ওই আলোচনা নিষ্ফল হওয়ার মূল কারণ ছিল সৌদি সরকার, নেতানিয়াহুর বিবৃতি নয়।’
‘পাঁচ যোগ এক জাতি’ গ্রুপের সঙ্গে সাম্প্রতিক ওই আলোচনায় ইরান খুবই সুবিধাজনক অবস্থায় উপনীত হয়েছে বলে ইসরাইলের দশ নম্বর টিভি চ্যানেলের মধ্যপ্রাচ্য সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ ‘তাসফি ইয়াহজকিলি’ও মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে আটক হয়ে থাকা তার অর্থগুলো প্রথমেই ছড়িয়ে নিতে চাচ্ছে এবং আসন্ন আলোচনায়ও পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজগুলো ধ্বংস করা ছাড়াই তারা ওইসব অর্থ ছাড়িয়ে নেয়ার দাবি জানাবে। ইরানিরা বিগত আলোচনায় পশ্চিমাদের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে বলেও তাসফি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে ইরানিরা তাদের অর্থগুলো ছাড়িয়ে নিতে পারবে এবং এটা ইসরাইলের জন্য খুশির খবর নয়। ইরানিরা সম্প্রতি বিমান বিধ্বংসী নতুন সিস্টেম চালু করেছে এবং তারা জানে যে ইসরাইলই হল ময়দানের পরাজিত শক্তি।’
ইসরাইল ছাড়াও কয়েকটি আরব দেশ ছয় জাতির সঙ্গে ইরানের পরমাণু আলোচনার অগ্রগতিতে অসন্তুষ্ট বলে ‘তাসফি ইয়াহজকিলি’ উল্লেখ করেছেন।