
প্রয়াত নেতার দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনের পর তাতে অপ্রত্যাশিতভাবে উচ্চমাত্রায় পলোনিয়াম-১২০ ও লিড-২১০ এর কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সুইজারল্যান্ডের লসানের ভডয়িস ইউনিভার্সিটি হসপিটাল সেন্টারে (সিএইচইউভি) এ পরীক্ষা করা হয়। আগামী ১১ই নভেম্বর প্রয়াত এ নেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবে। তার ৪ দিন আগেই ফরেনসিক রিপোর্টটি প্রকাশ করা হলো। রিপোর্টটি প্রকাশের পর আরাফাতের বিধবা স্ত্রী সুহা আরাফাত হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন ও এটা তাকে ভীষণ ব্যথিত করেছে। ২০০৪ সালে ফ্রান্সের সামরিক হাসপাতালে ইয়াসির আরাফাত শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। এতে চিকিৎসকরাও বিস্মিত হন। কিন্তু, সে সময় বিধবা স্ত্রীর অনুরোধে সাবেক এ ফিলিস্তিনি নেতার লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়নি। আরাফাতের মেডিকেল রিপোর্টে বলা হয়েছিল, তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। প্রথম থেকেই ফিলিস্তিনের সন্দেহের তীর ছিল ইসরাইলের দিকে। নতুন ফরেনসিক রিপোর্টটি দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে অনেকাংশে বাড়িয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।