
বুধবার কমিশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে ‘বিরোধী নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ ও জনগণের মৌলিক অধিকার উপেক্ষা করা’র দায়ে তুর্কি সরকারকে অভিযুক্ত করা হয়। বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় আঙ্কারাকে সচেষ্ট হতে হবে।
একইসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভূক্তির লক্ষ্যে তুরস্ক কতটা এগিয়েছে সে বিষয়েও প্রতিবেদনে আলোকপাত করা হয়। বলা হয়, ইউরোপীয় দেশগুলোকে অবিলম্বে তুরস্কের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে হবে। আগামী ২২ অক্টোবর ইউরোপীয় দেশগুলোর কর্মকর্তারা এক বৈঠকে এ প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করে দেখবেন।
কোনো কোনো কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো তাদের আসন্ন বৈঠকে নভেম্বরের শুরু থেকে তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।
তুরস্ক ২০০৫ সাল থেকে ইউরোপে অন্তর্ভূক্তির আলোচনা শুরু করে। তবে সে আলোচনা শুরুর ১৮ বছর আগে অর্থাত ১৯৮৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ হওয়ার আবেদন জানায়। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দেশ তুরস্কের ওপর এ ব্যাপারে একের পর শর্ত আরোপ করছে ইউরোপ। তুরস্ক যাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত হতে না সেজন্য বিংশ শতাব্দির গোড়ার দিকে ওসমানীয় সাম্রাজ্যের হাতে আর্মেনিয় বংশোদ্ভুতদের ওপর চালানো কথিত গণহত্যার প্রসঙ্গটি নিয়ে মাঝেমধ্যেই হৈ চৈ শুরু করে ইউরোপ।