
১৬ বছর বয়সী মালালা নারী অধিকার নিয়ে প্রচারণা করার জন্য এক বছর আগে মাথায় গুলিবিদ্ধ হন।
সোভিয়েত পদার্থবিদ ও মানবাধিকার আন্দোলন কর্মী আন্দ্রেই শাখারভ স্মরণে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট মানবাধিকার রক্ষা ও স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করার জন্য প্রতিবছর এ পুরস্কার দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের গোপন নজরদারির তথ্য ফাঁসকারী এডওয়ার্ড স্নোডেনও এ বছর এ পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার ছিলেন।
৬৫ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যমানের এ পুরস্কার ইউরোপের সর্বোচ্চ মানবাধিকার পুরস্কার বলে বিবেচিত।
মালালা ২০০৯ সালে বিবিসি উর্দুতে তালেবান শাসনাধীন তার জীবন ও নারীশিক্ষার অভাব নিয়ে একটি ব্লগ লেখেন।
গত জুলাইয়ে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে একটি সংবর্ধনায় অধিকারের প্রশ্নে কখনও নিশ্চুপ হবেন না, বলে শপথ নেন মালালা।
মালালার এ পুরস্কারপ্রাপ্তি নিয়ে ইউরোপীয়ান পিপলস পার্টির প্রধান জোসেফ দউল বলেন, ‘আজ আমরা বিশ্বকে জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, মালালা ইউসুফজাইয়ের মতো তরুণদের ওপরেই আমাদের সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দাঁড়িয়ে আছে।’
