
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এজিং বিভাগের পরিচালক ডক্টর জন আর বিয়ার্ড বলছেন, অধিকাংশ পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীর মৃত্যুর কারণ হার্টের অসুখ, স্ট্রোক ও ক্যান্সার। উচ্চ রক্তচাপ একটি বড় সমস্যা। তিনি বলেন, দেশগুলোর উচিত সুলভ মূল্যে ওষুধ সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য-পরীক্ষা নিশ্চিতের মাধ্যমে রক্তচাপ কমানোর ওপর নজর দেয়া। স্বল্প খরচে গর্ভাশয় ও ব্রেস্ট ক্যানসারের স্ক্রিনিং টেস্ট করার ব্যবস্থা রাখার ওপরও জোর দেন তিনি। বিয়ার্ড বলেন, বড় ধরনের এ অসুখগুলো প্রতিরোধ ও চিকিৎসা করা সম্ভব। বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্বে বহু নারী ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ পানে আসক্ত। নারীদের এগুলো পরিহারের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাছাড়া স্থূলকায় নারীদের সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সেটাও বড় উদ্বেগের কারণ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনটিতে বলা হচ্ছে, জাপানের নারীরা সবচেয়ে বেশি দিন বাঁচেন। জাপানি নারীদের গড় আয়ু বিশ্বের অন্য যে কোন দেশের নারীদের চেয়ে বেশি। জাপানি নারীদের গড় আয়ু ৮৬ দশমিক ৪১ বছর। অবশ্য, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে নারীরা ৪০ বছর আগের তুলনায় এখন বেশি দিন বাঁচেন। অর্থাৎ, তাদের গড় আয়ু বেড়েছে। ভাইরাস জ্বর, যক্ষা ও নিউমোনিয়ার মতো সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধে চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এ জন্য সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
