
এর আগে, আদালতে পিওসিএসসির অধীনে সাবালকত্বের আগে কোনো রকম শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন নিষিদ্ধ ঘোষণা করার আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ ও দিল্লি নারী কমিশন।
অতিরিক্ত সেশন বিচারক ধর্মেশ শর্মা ওই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেন, এই আবেদন মানা হলে ১৮ বছরের কম বয়সীরা রাষ্ট্রের সম্পত্তিতে পরিণত হবে।
আবশ্য এর সঙ্গেই এই বিষয়ে বহু ক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির কথাও আদালত বলেছেন। নাবালক বিবাহ এবং অসুরক্ষিত শারীরিক সম্পর্কের ভয়াবহতা সম্পর্কেও সামগ্রিক সচেতনতা বৃদ্ধির কথা বলেন বিচারক।
ভারতে পিওসিএসসি অ্যাক্টে ১৮ বছরের কম বয়সীদের শিশু হিসাবেই গণ্য করা হয়। এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় কিছু দিন আগে। ২২ বছরের এক যুবক ১৫ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ে করার পর। কিশোরীর বাড়ির লোকজন ওই যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন।
বর্তমান পিওসিএসসি অ্যাক্ট অনুযায়ী মেয়েটির সম্মতিক্রমে কোনো রকম বেআইনি পথ অবলম্বন না করে শারীরিক সম্পর্ক অপরাধের মধ্যে পড়ে না। বিচারক শর্মা জানিয়েছেন কোনো ভাবেই ওই যুবককে অপরাধী বলা যায় না।
