
বৃহস্পতিবার সমাজসেবা অধিদফতরের প্রবেশন অফিসার ছিদ্দিকুর রহমানের আবেদন ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার সাদাত এ নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুলনায় মিশু ক্লিনিকের জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংগ্রহ করে আদালতে তা উপস্থান করা হয়। সেখানে বলা হয় ঐশীর বয়স ১৯ বছরের বেশি।
আর সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তার আবেদন বলা হয়, ১৯৭৪ সালের শিশু আইন শিশুর বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ বছর আর ঐশীর বয়স ১৭ বছরের উপরে। সুতরাং তার বিচার শিশু আদালতে হতে পারে না।
এদিকে ঐশীর স্কুলের নিবন্ধন অনুযায়ী তার বয়স ১৭ বছর ৬ মাস।
অন্যদিকে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেছেন বাংলাদেশের নতুন শিশু আইনেই ঐশীর বিচার হওয়া উচিত।
