
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দুর্ঘটনার যে চিত্র দেখানো হয়, তাতে দেখা যায় ট্রেনটি বাসটিকে মাঝখান দিয়ে দুই টুকরো করে চলে যায়।
ট্রেন কর্তৃপক্ষ এসএনসিএফ জানিয়েছে, ঐ মুহূর্তে ট্রেনটির গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার, যা ঐ এলাকার জন্য ট্রেনের একটি স্বাভাবিক গতিবেগ। তারা আরও জানিয়েছে ঐ রেল ক্রসিংটি ছিল একটি পাসাজ নিভো ক্লাসিক অর্থাৎ স্বয়ংক্রিয়, আলোকিত এবং দুই বারিয়ার সম্পন্ন। এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে দুর্ঘটনারর মুহূর্তে বারিয়ার গুলোর সুইচ অপ করা ছিল কিনা বা সঠিক ভাবে কাজ করছিল কিনা।
ঘটনার পরপরই প্রধান মন্ত্রী এডওয়ার্ড ফিলিপ, যোগাযোগ মন্ত্রী এলিজাবেথ বর্ণ, এসএনসিএফ গ্রুপের প্রধাণ গুইয়াম পেপি এবং প্রিফেক্সার প্রধান( লো প্রিফে) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে।
রাষ্ট্রপতি এ্যামানুয়াল ম্যাক্রোঁ এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ছেন এবং দুর্ঘটনাকালীন সময়ে সাহায্যকারী সকল সংস্থাকে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্ছ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
ঘটনাস্থলে প্রায় ৯৫ জন পম্পিয়ার সদস্য, ৫২ জন প্যারামিলিটারী পুলিশ,২২টি এ্যাম্বুলেন্স এবং ৭ টি হেলিকপ্টার কাজ করছে।
উল্লেখ্য ১৯৮২ সালের পরে এটিই ফ্রান্সের কোন রেল ক্রসিং এ সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ফ্রান্সে বর্তমানে এমন প্রায় ১৭ হাজার রেল ক্রসিং রয়েছে।