
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে নির্বাচনের বিষয়ে আজকের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করেছে বলে জানা গেছে। এ জন্য চারজনের খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ তালিকার বাইরেও যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী তারা মাঠ চষে বেড়ানোর পাশাপাশি দলীয় হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।
জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের আগমুহূর্তের এই উপনির্বাচন সরকারের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন ক্ষমতাসীনরা। তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের আত্মবিশ্বাস, প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক দৃশ্যমান সফলতার যে চিহ্ন রেখে গেছেন, এতে ভোটাররা আওয়ামী লীগকেই বেছে নেবেন। ঢাকাকে দুই ভাগ করার পর গত নির্বাচনে ক্লিন ইমেজের সফল ব্যবসায়ী আনিসুল হককে উত্তর সিটি করপোরেশনে মনোনয়ন দিয়ে বেশ ফুরফুরেই ছিল আওয়ামী লীগ। সেবার নির্বাচন নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হলেও জয় হয়েছে দলটিরই। কিন্তু আনিসুল হকের এই ইমেজ কতটা কাজে লাগাতে পারবে তা নিয়েই আওয়ামী শিবিরে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম মেয়র প্রার্থী প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর এই বিষয়ে আমি মন্তব্য করব। তার আগে এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না।
এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। যদি নেত্রী আমাকে মেয়র পদে উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেন তাহলে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হব।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, যেভাবে কাজ করতে বলবেন সেটাই চূড়ান্ত।