
মারসুদি বলেন, মানবিক এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি সংকটের যেন অবনতি না হয়ে সে জন্য এ প্রস্তাবের প্রথম চারটি শর্ত অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ সব শর্ত হলো, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, সর্বোচ্চ ধৈর্য প্রদর্শন এবং অহিংস আচরণ, রাখাইন প্রদেশে ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষ সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবিলম্বে মানবিক সহযোগিতা শুরু করা।
এ ছাড়া, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কুফি আনানের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা প্যানেলের প্রতিবেদনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন হলো ফর্মুলার সর্বশেষ শর্ত।
মারুসুদি আজ সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকা পৌঁছেছেন এবং মিয়ানমার সফর সম্পর্কে বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দকে অবহিত করবেন।