
এদিন খেলার শুরুতে অবশ্য ফ্রান্সকে চেপে ধরে জার্মানরা। খেলার ১৩ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন থমাস মুলার। বক্সের ভেতরে আনমাকর্ড অবস্থায় বল পান তিনি। কিন্তু শট নেন পোস্টের বাইরে। এরপরও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল জোয়াকিম লো’র শিষ্যরা, কিন্তু গোলের দেখা পায়নি। উল্টো খেলার ৪৭ মিনিটে গোল করে বসে ফ্রান্স।বক্সের ভেতর প্যাট্রিক এভরাকে ফাউল করে বসেন জার্মান অধিনায়ক বাস্তিয়ান শোয়েনস্টাইগার। পেনাল্টি বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে গোল করতে ভুল করেননি গ্রিজম্যান।
বিরতির পরও খেলায় ফিরতে পারেনি জার্মানি। ৭২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন গ্রিজম্যান। এবার অবশ্য জার্মান রক্ষণের ভুলই দায়ি। বক্সের ভেতর কিমিচের ভুলে বল পেয়ে যান গ্রিজম্যান। সেখান থেকে দারুণ শটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন তিনি। টুর্নামেন্টে এটি গ্রিজম্যানের ষষ্ঠ গোল।