
এই পত্রিকায় প্রবাসী বাংলাদেশীসহ পোলিশ নাগরিকরাও বাংলা কবিতা সহ বিভিন্ন রকম লিখা তাঁদের স্বহস্তে লিখে। একইসঙ্গে দূতাবাসে ভাষা আন্দোলনের সাক্ষ্য হিশেবে চব্বিশটি বিরল আলোকচিত্রের এক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। দূতাবাসে আলোচনা অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রি, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রি ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বানী পাঠ করার পর রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান সরকারের তরফ হতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি বিশেষ করে বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম ভাষা হিশেবে প্রতিষ্ঠায় এবং দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটকে কার্যকর করার ক্ষেতরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রির ব্যাক্তিগত উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
দূতাবাসে মোমবাতি ও মশাল প্রজ্জ্বলন করে, দূতাবাস চত্বরে শহীদ মিনার স্থাপন করে, শহীদ মিনারের বেদীর চারপাশে রঙ্গিন আলপনা অংকন করে, প্রভাত ফেরীর মাধ্যমে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গান গেয়ে নব্য স্থাপিত শহীদ মিনারে একুশের শূন্য প্রহরে পুস্পার্ঘ্য অর্পন করা হয়। প্রায় শ’খানেক প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক ও পোলিশ নাগরিকরা এই অনুষ্ঠানসমূহে অংশগ্রহন করে।