
সভায় বক্তারা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং তার পরিবারের সদসদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করে সরকার ষড়যন্ত্র করছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা তারই একটি নমুনা। বর্তমান অবৈধ সরকার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দিয়েছে। সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য হীন উদ্দেশে এই মামলা করা হয়েছে।বাংলাদেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী নেতৃবৃন্দ বিশেষ করে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও সকল শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ দেশের হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ১০টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুর্নীতির মামলা, নাশকতা মামলা সর্বশেষে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে প্রমাণ করেছে যে, আওয়ামী লীগ দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে ভয় পায় এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। একই কারণে তার দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের গুম, খুন, হত্যা ও গ্রেপ্তার করছে। তবে এভাবে প্রতিহিংসার রাজনীতি করে সরকার টিকে থাকতে পারবে না। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।সভায় ফোরাম, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও কমিউনিটির উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে মোঃ হানিফ, ডা. তারেক, ডা. লিপন, ডা. জাকির, রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।