
সোমবার তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ওয়াহেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার শিকার গোলাম রাব্বী জানান, শনিবার রাতে মোহাম্মদপুরে এক স্বজনের বাসা থেকে কল্যাণপুরের বাসায় ফিরছিলেন তিনি। তাজমহল রোডে ওই সময় এসআই মাসুদ রানাসহ পুলিশের একটি দল তাকে তল্লাশির জন্য গতিরোধ করে। মাদক আছে দাবি করে পুলিশ তাকে কলার চেপে টেনে গাড়িতে তুলে নানা ভয়ভীতি দেখায়। মানসিকভাবে হেনস্তা করতে থাকে। লাঠি ও অস্ত্রের বাঁট দিয়ে আঘাত করে ইয়াবা ও হেরোইন বের করতে বলে। তাকে গাড়িতে করে বিভিন্ন এলাকা ঘোরানো হয়।
এক সময় টেলিভিশন খবরের উপস্থাপক রাব্বী বলেন, ‘ঘটনাটি তিনি আঁচ করতে পেরে পুরনো সাংবাদিক বন্ধুদের মেসেজ পাঠান। রাত আড়াইটার সময় কয়েক বন্ধু ও স্বজন তাকে পুলিশের গাড়ি থেকে উদ্ধার করেন। এর আগে নিজের পরিচয়, বিভিন্ন সেক্টরে পরিচিত ও বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পরিচয় দেওয়া হলেও তার সঙ্গে চরম খারাপ আচরণ করে পুলিশ।’
পুলিশের গাড়িতে হেনন্তা হওয়ার বর্ণনা দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘রাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও কয়েকজনকে গাড়িতে তোলা হয়। তাদের মারধর করে, মাদক দিয়ে টাকাও আদায় করা হয়।’
রাব্বী আরো বলেন, ‘এ বিষয়ে রোববার পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করা হয়।’
গোলাম রাব্বী বাংলাদেশ ব্যাংকের পাবলিকেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের কর্মকর্তা।