
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোগেরিনি বলেছেন, শেইখ নিমরের এ মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে বাক-স্বাধীনতার বিষয়ে মারাত্মক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এছাড়া, মৌলিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিয়েও একই ধরনের উদ্বেগ দেখা দিচ্ছে। মোগেরিনি বলেন, শেখ নিমরের শিরোশ্ছেদের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। এরইমধ্যে এ সমস্যার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে বহু ক্ষতি হয়েও বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
২০১২ সালে সৌদি আরবের কতিফ অঞ্চল থেকে শেখ নিমরকে আটক করা হয়। সে সময় নানা সামাজিক বৈষম্য দূর করার দাবিতে প্রায় প্রতিদিন কাতিফ অঞ্চলের জনগণ সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতেন। শেইখ নিমর ছিলেন অন্যতম নেতৃস্থানীয় প্রতিবাদকারী ব্যক্তি এবং সৌদি রাজতান্ত্রিক সরকারের একজন কড়া সমালোচক।