
সাফল্যের শিখর ছুঁয়ে কেন এই সন্ন্যাস! বয়সে তো এখনো নেহাতই তরুণ। জুকেরবার্গ ৩১, তার স্ত্রী প্রিসিলা ৩০। এখনই এমন দান-ধ্যানে মেতে ওঠার সিদ্ধান্ত কেন? খোলা চিঠিতে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন দম্পতি। ম্যাক্সকে একটা নতুন পৃথিবী উপহার দিতে চান তারা। এমন একটা পৃথিবী যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য আর পছন্দের জীবন বেছে নেয়ার অধিকার থাকবে সব শিশুর। শুধু তাদের উদ্যোগে যে সব বদলে যাবে না, তা জুকেরবার্গ জানেন। কিন্তু বদলাতে শুরু করা একটা পৃথিবীতে বড় হোক ম্যাক্স চাইছেন মার্ক ও প্রিসিলা। খোলা চিঠিতে তাই লিখেছেন, তার মেয়ের পৃথিবীতে থাকবে সাম্য, থাকবে সুস্বাস্থ্য। এমন একটা পৃথিবীতে ম্যাক্সদের প্রজন্ম বড় হবে, যেখানে শিক্ষার বিষয় আর পদ্ধতি হবে নিজের পছন্দের। জুকেরবার্গ লিখেছেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য হবে মানুষে মানুষে সংযোগ বৃদ্ধি আর খুব মজবুত একটা সমাজ গড়ে তোলা।’ মার্কিন মুলুকের তরুণ বিলিয়নেয়ারের এমন সাম্যবাদী চিন্তা চমকে দিয়েছে সে দেশের প্রশাসনিক কর্তাদেরও।
জুকেরবার্গই একমাত্র নন_ বিল গেটস এবং ওয়ারেন বাফেটও একই পথের পথিক হয়েছেন। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির মর্যাদা পাওয়ার পর নিজেদের সম্পত্তি বিলিয়ে দিতে শুরু করেছেন সেবামূলক কাজে। জুকেরবার্গ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন সেই বিল গেটসের কাছেই। বলেছেন, বিল আর মেলিন্ডা গেটস পথ না দেখালে, তারাও এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন না। নিজের ফেসবুক পেজে মেয়ের ছবির সঙ্গে মেয়েকে লেখা প্রথম চিঠি ফলোয়ারদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন মার্ক। দু’মিনিটের মধ্যে ৩ লাখ ৬০ হাজার লাইক পড়েছে। স্ত্রী প্রিসিলা গর্ভবতী থাকার সময় থেকেই বেশ কয়েকবার ছবি শেয়ার করেছেন নিজের ওয়ালে। এমনকি পিতৃত্বকালীন ছুটিও নিয়েছেন তিনি।